২০১৯ সালের পর থেকে জাতীয় দলে ডাক পাননি, তবে সম্প্রতি বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ- ২০২২ শিরোপা জয়ের পর আবারও আলোচনায় এসেছেন ইমরুল কায়েস।
যদিও সোশাল মিডিয়ায় বরাবরই আলোচনায় থাকেন তিনি- তবে সেটিও অন্য ক্রিকেটারদের তুলনায় কিছুটা ভিন্ন কারণে।
বাংলাদেশ ক্রিকেটের কিছু অনুসারী অনেক সময়ই ইমরুল কায়েসকে নিয়ে হাসিঠাট্টায় মাতেন, জার্সি নাম্বার থেকে শুরু করে ইমরুল কায়েসের প্রতিটি পদক্ষেপ নিয়ে নানা ধরনের ট্রল, মিম ও সোশাল মিডিয়া কন্টেন্ট দেখা যায়।
জাতীয় দলের বাইরে থাকার পরও তাকে নিয়ে এই আলোচনা কেন?
প্রমিথ রায়হান প্রায় নব্বইয়ের দশক থেকে ক্রিকেটের নিয়মিত দর্শক, তার মতে ইমরুল কায়েসের চলন-বলন তারকাদের মতোন নয়, এটা তার পাবলিক ইমেজের ক্ষেত্রে নিয়ামক হিসেবে কাজ করে।
মি. রায়হান মনে করেন, ইমরুল কায়েস যদি তারকাদের মতোন অ্যাপ্রোচে নিয়ে চলতেন সেক্ষেত্রে তার পারফরম্যান্স আরও গুরুত্ব পেত।
ইমরুল কায়েসকে নিয়ে
অনেকে হয়তো স্রেফ মজা করার উদ্দেশ্যেই সোশাল মিডিয়ায় এসব কন্টেন্ট তৈরি করেন, তবে এর দ্বারা মানসিকভাবে ক্রিকেটাররাও প্রভাবিত হতে পারেন।
ইমরুল কায়েস ২০২১ সালে একটি সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, তিনি নিজে এসব দেখেন না, কিন্তু কখনো কখনো পরিবারের সদস্যদের বিব্রত করে এসব অনাকাঙ্খিত মজা।
তবে ইমরুল কায়েস সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে খুব একটা থাকেন না বলেই জানিয়েছেন, তার মতে, খেলা নিয়ে কে কী বলছে সেটা নিয়ে খুব একটা চিন্তার কিছু নেই।
"দেখেন বাংলাদেশে ভালো খেললে অনেককে মুহুর্তেই অনেক ওপরে তুলে দেয়া হয়, আবার খারাপ খেললে একেবারে তুলোধনা করা হয়। এটা রেগুলার।"
ইমরুল কায়েস বলেছেন, মাঠের বাইরে কী হয় তার চেয়ে মাঠের বিষয়ে থাকাই ভালো।
0 মন্তব্যসমূহ