https://plainsenlargecoronation.com/ghbf8cn6jk?key=5268d63a4390664f5a4e3c27f69607c5 বাংলাদেশি চিংড়ি আটকা যুক্তরাজ্যের বন্দরে

Header Ads Widget

বাংলাদেশি চিংড়ি আটকা যুক্তরাজ্যের বন্দরে

 


মৎস্য কর্মকর্তাদের ভুলে চিংড়ির ৯টি চালান যুক্তরাজ্যের বন্দরে আটকা পড়েছে। দাম প্রায় ২০ কোটি টাকা।

  • ২০২১-২২ অর্থবছরে প্রায় ৪১ কোটি ডলারের হিমায়িত বাগদা ও গলদা চিংড়ি রপ্তানি হয়, যা আগের বছরের চেয়ে প্রায় ২৪ শতাংশ বেশি।

  • দেশের চিংড়ির সবচেয়ে বড় বাজার ইউরোপের দেশগুলো।


  • চিংড়ি



  • বাংলাদেশ থেকে রপ্তানি করা হিমায়িত চিংড়ির নয়টি চালান যুক্তরাজ্যের ফিলিক্সস্টো বন্দরে আটকা পড়েছে। ওই সব চালানে প্রায় ২০ লাখ মার্কিন ডলারের পণ্য রয়েছে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ২০ কোটি টাকার সমান।
  • রপ্তানিকারক এবং মৎস্য পরিদর্শন ও মান নিয়ন্ত্রণ দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের জুন, জুলাই ও আগস্ট মাসে খুলনা আঞ্চলিক মৎস্য পরিদর্শন ও মান নিয়ন্ত্রণ দপ্তর থেকে যুক্তরাজ্যে রপ্তানির জন্য দেওয়া ৩০টি চালানের প্রত্যয়নপত্রে আমদানিকারক দেশের দেওয়া শর্তের কিছু ধারা বাদ পড়ে যায়। অসম্পূর্ণ ওই প্রত্যয়নপত্র নিয়ে রপ্তানি হওয়া নয়টি চালান আটকা পড়ে।

    আটকে থাকা চালানগুলো খুলনার অ্যাটলাস সি ফুড, ছবি ফিশ প্রসেসিং ইন্ডাস্ট্রিজ, ক্রিমসন রোসেলা সি ফুড, ব্রাইট সি ফুড, ন্যাশনাল সি ফুড, মডার্ন সি ফুড ও যশোরের এমইউসি ফুডের।

    নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন রপ্তানিকারক বলেন, ঠিক সময়ে পণ্য খালাস করতে না পারায় বিদেশি ক্রেতারা সমস্যায় পড়েছেন। তাঁদের সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্ক খারাপ হচ্ছে। বন্দর কর্তৃপক্ষকে প্রতিটি দিনের জন্য ক্ষতিপূরণ (পোর্ট ডেমারেজ) দিতে হচ্ছে। তিনি বলেন, এসব পণ্য ফেরত আনা লাগবে, নাকি খালাস করা সম্ভব হবে, তা নিয়ে ধোঁয়াশায় রয়েছেন রপ্তানিকারকেরা।

  • রপ্তানিকারকেরা জানান, বিষয়টি বাংলাদেশ ফ্রোজেন ফুড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের মাধ্যমে মৎস্য অধিদপ্তরকে জানানো হয়েছে। যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশ হাইকমিশনকেও বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে। চালান খালাস করার জন্য যুক্তরাজ্যে নিয়োগ করা হয়েছে আইনজীবী।

    মৎস্য পরিদর্শন ও মান নিয়ন্ত্রণ অফিস সূত্রে জানা গেছে, যুক্তরাজ্য ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বের হয়ে যাওয়ার পর প্রত্যায়নের ক্ষেত্রে নতুন নীতিমালা করেছে। নীতিমালার নতুন সংস্করণে সম্প্রতি বেশকিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে। কর্মকর্তাদের দাবি, কী কী পরিবর্তন হয়েছে, তা ভালো করে খেয়াল করেছেন তাঁরা। তবে যেসব শর্তে কোনো পরিবর্তন নেই, সেখান থেকেই তিনটি বিষয় ভুলবশত বাদ পড়েছে। এখন বন্দর কর্তৃপক্ষ পণ্যগুলো গ্রহণ করছে না, আবার বাতিলও করছে না।

    মৎস্য পরিদর্শন ও মান নিয়ন্ত্রণ দপ্তরের খুলনার মৎস্য পরিদর্শন ও মান নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা লিপটন সরদার প্রথম আলোকে বলেন, ‘আগের ছোটখাটো সমস্যা দুই দেশের সরকারি কর্তৃপক্ষের সমঝোতায় সমাধান হয়েছে। এবার কিছুটা ঝামেলা হচ্ছে। পণ্যের সমস্যা নেই। যেকোনোভাবেই তারা যদি নিশ্চয়তা চায়, আমরা দিতে রাজি আছি।’ তিনি বলেন, ‘আমরা ই–মেইলের মাধ্যমে তাঁদের জানিয়েছি, যদি কোনো অ্যাডিশনাল সার্টিফিকেট (অতিরিক্ত প্রত্যয়নপত্র) লাগে, কোনো কারেক্টটেড (সংশোধিত) সার্টিফিকেট লাগে, আমরা সেটি দেব। তারা এখনো কোনো উত্তর দেয়নি।’

    বাংলাদেশ থেকে ২০২১-২২ অর্থবছরে প্রায় ৪১ কোটি ডলারের হিমায়িত বাগদা ও গলদা চিংড়ি রপ্তানি হয়, যা আগের বছরের চেয়ে প্রায় ২৪ শতাংশ বেশি। দেশের চিংড়ির সবচেয়ে বড় বাজার ইউরোপের দেশগুলো।

    মৎস্য পরিদর্শন ও মান নিয়ন্ত্রণ খুলনার উপপরিচালক মো. আবু ছাইদ প্রথম আলোকে বলেন, এটা একদম অনিচ্ছাকৃত ত্রুটি। বিষয়টা সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ